নগরের ধূসর রজনীতে
তিনি নীরবে রচনা করে গেলেন
এক অশ্রুত, অনিঃশেষ শিল্পময় স্বরলিপি।
বুদ্ধিবৃত্তির পর্বতচূড়ায়,
আইনের দৃঢ় সোপানে,
রাজনীতির উত্তাল আদর্শে
তিনি ছিলেন এক মহীরুহ,
যার ছায়ায় বহু প্রাণ নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকত।
বুয়েটের ফ্যাকাসে ইটগুলোর ভিড়ে
উন্মেষিত হলো নতুন এক কাব্যবাহক
যার শব্দে স্ফুলিঙ্গের আলো,
যার কণ্ঠে মশালের শিখার মতো আহ্বান।
মিটিংয়ের দৃঢ় উচ্চারণ,
মিছিলের দৃপ্ত অঙ্গীকার
তার সৃষ্টির স্পন্দনে আজ
প্রখর উত্তাপে দীপ্যমান
আমাদের সমগ্র চেতনাজগৎ।
তিনি প্রজ্বালিত করেছেন
গুপ্ত সাহসের সুপ্তপ্রান
অচেনা বীরত্ব এখন দাউ দাউ
জ্বলে ওঠে প্রতিটি হৃদয়ের অন্তঃপুরে।
তিনি তো এক অনির্বাণ শিখা
জ্ঞানোজ্জ্বল পথের অভিভাবক।
হে প্রাজ্ঞ আলোকবাহক,
তোমার দীপ্তির অনুবর্তনে
যদি লক্ষ মশাল হাতে নেয় এই মানবসমাজ
তবে কলুষের গহ্বর ভেদ করে
সভ্যতা আবার ফিরে পাবে তার উজ্জ্বল প্রভাত।
Comments 0
No comments yet. Be the first to comment!
Sign in to leave a comment.